রাকিব ইসলামের গল্পটা হয়তো অনেকের কাছেই পরিচিত লাগবে। ঢাকার মিরপুরে ছোট একটি মুদি দোকান চালান তিনি। আগে থেকেই ক্রিকেটের ভক্ত, বিশেষ করে আইপিএলের সময় রাত জেগে খেলা দেখতেন। এক বন্ধুর কাছ থেকে 666cb সম্পর্কে জানার পর কৌতূহলবশত অ্যাকাউন্ট খোলেন।
শুরুতে রাকিব সবচেয়ে বড় যে ভুলটা করেননি সেটা হলো — তিনি এক দিনেই সব টাকা বাজি রাখেননি। ৳৮,০০০ বাজেট ধরে তিনি প্রতিটি ম্যাচে সর্বোচ্চ ৳৫০০ বেট রাখার নিয়ম তৈরি করেছিলেন নিজেই। 666cb-এর স্বাগত বোনাস পেয়ে তার মোট শুরুর ব্যালেন্স হয়েছিল ৳১৬,০০০।
রাকিবের কৌশল: প্রতিটি দলের গত ৫ ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখতেন, পিচ রিপোর্ট পড়তেন এবং কখনো আবেগের বশে বেট রাখতেন না। নিজের প্রিয় দলের বিরুদ্ধেও যখন অডস ভালো থাকত, বেট রাখতে দ্বিধা করতেন না।
তিনি বলেন, প্রথম দুই সপ্তাহ শুধু ছোট বেট করে 666cb-এর ইন্টারফেস বুঝতে চেষ্টা করেছিলেন। লাইভ অডস কীভাবে পরিবর্তন হয়, কোন সময়ে বেট রাখলে সুবিধা বেশি — এসব ধীরে ধীরে বুঝেছেন। তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং ধীরে ধীরে বেটের পরিমাণও একটু বাড়িয়েছেন।
আইপিএল শেষ হওয়ার পর হিসাব করে দেখেন মোট জয় ৳২৩,৫০০। মূল বিনিয়োগ ৳৮,০০০-এর তুলনায় এটা প্রায় তিনগুণ। রাকিব নিজেই স্বীকার করেন, প্রতিটি বেটই জেতেননি। কিছু ম্যাচে হার হয়েছে। কিন্তু ডেইলি ক্যাশব্যাক এবং নিয়মিত বেটিং স্ট্র্যাটেজির কারণে সামগ্রিকভাবে লাভজনক থাকা সম্ভব হয়েছে।